সিমেন্ট খাতে তালিকাভুক্ত মেঘনা সিমেন্ট মিলস পিএলসির গত সপ্তাহ শেষে শেয়ারদর ২৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির সমাপনী শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৫৩ টাকা ৯০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৪২ টাকা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৪ টাকা ৯৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৪৯ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৫ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১৯ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মেঘনা সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ১৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৫৫ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৬৪ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে মেঘনা সিমেন্টের ইপিএস হয়েছে ৫৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ৫৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে মেঘনা সিমেন্টের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৬০ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৯০ পয়সায়।
মেঘনা সিমেন্টের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল বি মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ফোর’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে বাংলাদেশ রেটিং এজেন্সি লিমিটেড।
১৯৯৫ সালে তালিকাভুক্ত মেঘনা সিমেন্টের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা।
পরিশোধিত মূলধন ৩১ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ১৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৯। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৪১ দশমিক ৯০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৫ দশমিক ১১ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২২ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।